অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল পূর্ণিমার দিন মুক্তিনাথ দর্শন করার, ১২ ই মে, ২০২৫ বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন সেই ইচ্ছে পূরণ হলো।
আমরা মিথিলা এক্সপ্রেসে রক্সৌল পৌঁছে টাঙ্গায় ভারত-নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে বীরগঞ্জ পৌঁছনোর পথে কিছু ভারতীয় টাকা এক্সচেঞ্জ করে নেপালী করে নিয়েছিলাম। ভারতীয় ১০,০০০ দিলে, নেপালী ১৬,০০০ এইরকম হিসাবে। মুক্তিনাথের পথে ভারতীয় টাকা নিলেও নেপালী টাকা আদান-প্রদান করাই বেশি সুবিধা নাহলে সমস্যা হবে। বীরগঞ্জ থেকে বেলা ১০-৩০ নাগাদ একটা বাস ছাড়ে, পোখরা যেতে প্রায় ৯ ঘন্টা সময় লাগে। এইসব রুটের বাসে যারা যাওয়া আসা করেন জানেন যে বাসগুলো দাঁড়াতে দাঁড়াতে যায়। তাই প্রায় দুঘন্টা বেশি সময় লাগে। বাস ভাড়া ৮৭০ নেপালী। আমরা বাস থেকে রাত ৮ টা নাগাদ পোখরা নেমে একটা ট্যাক্সি করে লেক সাইড যাই, হাল্যান চৌক (( Hallan Chowk ), ট্যাক্সি ভাড়া ৪০০ নেপালী।
আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প ট্রেকিং, নেপাল
হাল্যান চক কারণ এখান থেকেই মুক্তিনাথের বাস ছাড়ে। হাল্যান চকে আমরা রাত কাটানোর মতো একটা হোটেল নিই Hotel Kamero.. এর ঠিক উল্টোদিকেই আছে Hotel Peace Nepal .. এখান থেকে বাসস্ট্যান্ড হাঁটা পথ। হোটেল থেকেও বাসের টিকিট নেওয়া যায় ওরা ফোনে টিকিট কনফার্ম করেন এক্ষেত্রে ২০০ টাকা বেশি লাগে। নাহলে টিকিট কাউন্টারে গিয়েও টিকিট নেওয়া যায়। টিকিট কাউন্টার সকাল ৬ টায় খোলে। বাস ভাড়া ১৬০০ টাকা নেপালী, পোখরা থেকে টানা মুক্তিনাথ। সকাল ৬-৩০ টা নাগাদ বাস ছেড়ে পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় বিকেল ৫ টা বাজে। কারণ ওই একই সব জায়গাতে দাঁড়াতে দাঁড়াতে যায়। এই জার্নিগুলো আমি উপভোগ করি কারণ এক তো সব জায়গা দেখতে দেখতে যাওয়া হয় সাইট সিইং এর মতো আর দুই উচ্চতার সাথে নিজের শরীর মানিয়ে নেয় ( acclimatization )।
ঘাসা চেক পোস্টের কাছে একটা জলপ্রপাত আছে রূপসী, এখানেও বাস দাঁড়িয়েছিল ছবি তোলার জন্য। এখানে বলে রাখি এই রুটে পারমিট করাতে হয়। সেটা পোখরা ACAP অফিস থেকেও করানো যায় আবার সব ডকুমেন্টস যেমন ছবি, আইডি কার্ড সাথে রাখলে এই ঘাসা চেক পোস্টেও করে দেয়। টাকা একই লাগে ১০০০ নেপালী। নেপালী টাকাই দিতে হবে এখানে।
![]() |
জমসম |
এশিয়ার অন্যতম বিপদজনক বিমানবন্দর জমসম
আমরা যদিও মুক্তিনাথের প্রায় ২৪ কিমি আগেই জমসমে নেমে যাই। পোখরা থেকে জমসমের ভাড়া ১৩০০ টাকা। এই রুটে পোখরা থেকে সকালে শেয়ার জীপও আসে জিরো চক থেকে। জীপে বাসের থেকে সময় কম লাগে তবে বাসে আরাম করে বসা যায় জীপের তুলনায়। আমরা জমসমে হোটেল সানরাইজে (Hotel Sunrise ) একরাত থেকে পরদিন বেলার দিকে মুক্তিনাথ যাই। ভাগ্য ভালো থাকলে জমসমের হোটেলের এই একটা জানালা থেকেই স্বর্গ দর্শন হবে! চাঁদের আলোয় নীলগিরি.. ঘুম ভেঙে হঠাৎ দেখলে মনে হবে সামনেই জায়ান্ট স্ক্রিনে রাতের রুপোলি নীলগিরি দর্শন হচ্ছে! আবার সূর্যোদয়ের সময় সোনালী নীলগিরি! সামনেই এয়ারপোর্ট! আবহাওয়া ভালো থাকলে সকাল থেকেই প্লেনের আসা-যাওয়া! যে রাস্তাটা মুক্তিনাথ চলে যাচ্ছে, সেই রাস্তা, লোকজন, গাড়ি, ঘরবাড়ি, দোকান! সবটা দেখা যায় এই একটা জানালা থেকে! আর হ্যাঁ সারাদিন নীল আকাশ, রুক্ষ ধূসর পাহাড় আর ঘন সাদা মেঘের সঙ্গে হিমালয়ের তুষার শৃঙ্গগুলির লুকোচুরি খেলা চলতেই থাকে.... জমসম থেকে ধৌলাগিরি ও নীলগিরির বিশাল রেঞ্জ দৃশ্যমান। নীলগিরি নর্থ, নীলগিরি সেন্ট্রাল, নীলগিরি সাউথ এই তিনটি শিখরকে একত্রে নীলগিরি হিমল বলা হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নীলগিরি রেঞ্জ। পুরোটাই জমসম থেকে খুব পরিষ্কার দেখা যায়। আর তা বেশিরভাগ হোটেলের ঘরে বসেই। জমসমের হোটেলের জানালা থেকে খেলনার মতো প্লেনের আনাগোনা দেখা! রানওয়ে দিয়ে হুশ করে ছুটে যাওয়া! পোখরা থেকে জমসম অবধি এই প্লেনে পৌঁছে তারপর গাড়িতে মাত্র ১ ঘন্টার যাত্রাপথে পৌঁছে যাওয়া যায় মুক্তিনাথ। আবার জমসমের উচ্চতাও মুক্তিনাথের থেকে প্রায় ৩০০০ ফুট কম তাই অনেকেই জমসমকে কেন্দ্র করে মুক্তিনাথ দর্শন করে আসেন। যদিও আবহাওয়া ভালো থাকলে তবেই এই প্লেন সার্ভিস চালু থাকে। আবার মুক্তিনাথ অবধি সরাসরি হেলিকপ্টার সার্ভিসও আছে। সেক্ষেত্রে সিঁড়িও চড়তে হয় না।
অবশ্যই পড়ুনঃ নতুন পথে কেদারনাথ
জমসমের কাছেই পবিত্র ধুম্বা লেক
পরদিন জমসম থেকে সূর্যোদয় দেখে সকাল ৮ টা নাগাদ গেলাম ধুম্বা লেক। লেক দেখে ফিরে এসে মুক্তিনাথ যেতে হবে। নীলগিরি পর্বতের বরফ গলা জলে পুষ্ট এক পান্না সবুজ জলের হ্রদ.. তাতে প্রচুর মাছ ভেসে বেড়াচ্ছে! এই হ্রদ আর মাছদের স্থানীয়রা দেবজ্ঞানে পুজো করেন। জল একদম পরিষ্কার আর স্বচ্ছ। তার সাথে সঙ্গত দিচ্ছে ঝকঝকে নীল আকাশ.. উঁকি দিচ্ছে একদিকে নীলগিরি আর একদিকে ধৌলাগিরি আর তুকুচে শৃঙ্গ। অদ্ভুত সুন্দর এই লেকটি খুব সহজেই জমসম থেকে দেখে নেওয়া যায়। মাত্র ৬ কিমি দূরত্ব। গাড়িতেই পৌঁছে যাওয়া যায়। যদিও গাড়ি বুকিং করতে হবে। আর হাঁটতে চাইলে তো হেঁটে যাওয়াই যায়, শর্টকাট তো আছেই। সময় থাকলে প্রকৃতির রূপ উপভোগ করতে করতে হেঁটেই যাওয়া ভালো। এদিকের রাস্তায় গাড়ি চলে না খুব একটা। সময় কম থাকলে গাড়ি ভরসা। ভাড়া ১৫০০ নেপালী। জমসম থেকে যাওয়া-ফেরা দাঁড়িয়ে থাকা সব নিয়ে। লেকের পার ধরে এক চক্কর দিতে আর ছবি তুলতে তুলতে কিভাবে যে একঘন্টা কেটে যাবে বোঝাই যাবে না! ফিরতে ইচ্ছে করবে না এতোই মনোমুগ্ধকর এই জায়গাটা.. লোকচক্ষুর অন্তরালে লুকোনো এক স্বর্গ! কত মানুষই তো মুক্তিনাথের পথে যাওয়া আসা করছেন কিন্তু এখানে আর কজনই বা আসেন!
![]() |
| শাক্যমুনি বুদ্ধ মূর্তি |
হিন্দু ও বৌদ্ধ উভয় ধর্মের তীর্থক্ষেত্র মুক্তিনাথ নারায়ণ মন্দির
জমসম থেকে মুক্তিনাথ ১ ঘন্টার পথ। মাঝে পড়বে কাগবেণী, ঝাড়কোট গ্রামগুলি। জমসম থেকে সকালেই বাস জীপ সব মুক্তিনাথ চলে যায় আর নাহলে সেই বিকেলে পোখরা থেকে যে বাস আসছে তাতে যেতে হবে। তাই আমরা একটা ছোট গাড়ি পাই বেলার দিকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে ভাড়া। পোখরা থেকে পুরো রাস্তাটাই ভালো খারাপ মিলিয়ে। তবে জমসম থেকে মুক্তিনাথের রাস্তা এখন বেশ ভালো। এই রুটে খাবার দাম কিন্তু বেশ বেশি, অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প ট্রেক রুটের মতোই প্রায়। জমসমের উচ্চতা ৯০০০ ফুটের কিছু কম আর মুক্তিনাথের উচ্চতা ১২০০০ ফুটের একটু বেশি।
মুক্তিনাথ পৌঁছে আমরা প্রথমে হোটেলের খোঁজ করলাম। কয়েকটা দেখার পর ইউরেকা ইন /Eurika Inn এ একটা ঘর দেখলাম ভাড়া ২০০০ নেপালী। এই হোটেলের ছাদ থেকে ভালো সানরাইজ দেখা যায় তাই এখানেই ঘর নিলাম। কাছেই আছে অন্নপূর্ণা ইন এটাও বাজেট হোটেল। তবে ইউরেকা ইনে খাবারের দাম খুব বেশি। সেই তুলনায় পাশেই একটা ছোট রেস্টুরেন্ট আছে সোলুখুম্বু কিচেন, এখানে খাবারের দাম তুলনামূলকভাবে কম। ব্ল্যাক টি ৪০ টাকা, ভেজ থালি ৩৫০ টাকা, রুটি-সবজি ২০০ টাকা (দুটো রুটি )। আমরা দু-রাত, তিনদিন এখানেই খাওয়া-দাওয়া করেছি। দ্বিতীয় রাত আমরা বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটা ছোট হোটেলে ছিলাম, ওখানে একটাই attached-toilet ঘর। হোটেলের কোনো নাম নেই। একদম ভ্যালির ধারে। লোকেশন খুবই ভালো। লোকেশন বলতে সামনেই হিমালয়ান রিসর্ট অনেকটা মনাস্ট্রির মতো দেখতে তার উল্টোদিকে এই একটিই হোটেল। সামনেই জীপস্ট্যান্ড/ বাসস্ট্যান্ড হলেও জায়গাটা একদমই ঘিঞ্জি নয়। একজন বয়স্ক মহিলা আছেন ওনার বাবার সাথে থাকেন, উনিই চালান হোটেলটি। এই হোটেলের ঘর ভাড়া ২৫০০ নেপালী। এখানে খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। উল্টোদিকে রেস্টুরেন্ট আছে। সব জায়গাতেই ফ্রি wifi আছে। আমরা রোজই প্রায় বেলা ১০ টা অবধি ঝকঝকে আবহাওয়া পেয়েছি, তারপর ঘন সাদা মেঘের আড়ালে তুষার শিখরগুলি ঢেকে যেতে শুরু করে।
থোরাং-লা'রই নীচে মুক্তিনাথ মন্দির। লা অর্থাৎ পাস বা গিরিপথ। অন্নপূর্ণা সার্কিট ট্রেকে এই পাস পেরিয়ে মুক্তিনাথ নামতে হয়। বাস বা জীপস্ট্যান্ড থেকে কিছুটা হেঁটে যাওয়ার পর মন্দিরে ওঠার সিঁড়ি শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ওঠার পর মন্দিরের দ্বার।দ্বার পেরিয়ে কিছুটা গিয়েই শিব-পার্বতী মন্দির আরও একটু গেলে মুক্তিনাথ নারায়ণ মন্দির। ভিড় কিন্তু একদমই নেই বেশ ফাঁকা ফাঁকা। দুদিনই বিকেলে দেখলাম এইরকম, সন্ধ্যে আরতি দেখার ভিড় একদমই নেই। খুবই কম লোকজন এই ২০/২২ জন মতো। বরং সকালে দর্শণার্থী বেশি তবু সেরকম ভিড় নয়। সবাই আসছেন স্নান করছেন পুজো দিচ্ছেন কোনো হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কির ব্যাপারই নেই। একদম শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, এটাই সবথেকে ভালো লাগে। কি সুন্দর নিজের মতো যেন! মন্দির থেকে ডানদিকে কিছুটা গেলে শাক্যমুনি বুদ্ধ মূর্তি, আরও কিছুটা পেছনে আছে জ্বালা মাতা মন্দির, এখানে আছে একটি ক্ষীণ জলের ধারা আর জ্বলছে নীল রঙের আগুনের শিখা। মুক্তিনাথ একটি শক্তিপীঠও.. মুক্তিনাথের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অপরিসীম..
সকালে আবহাওয়া খুবই ভালো পেয়েছি একদম ঝকঝকে। চড়া রোদ্দুরে ঠান্ডা তেমন লাগে না তবে রোদ্দুর চলে গেলে বিকেল থেকে বেশ ঠান্ডা। আমাদের পৃথিবীটা কত যে সুন্দর! কত যে রঙিন! এইটুকু ২০০ কিমি যাত্রাপথেই যা রঙ আর রূপ দেখলাম এই কদিনে প্রকৃতির! সত্যিই ভাবতে পারিনি মুক্তিনাথ রুটে এতো সৌন্দর্য্য, এতো বৈচিত্র্য! আমি জানতাম মুক্তিনাথ রুট শুধুই রুক্ষ আর শুকনো ন্যাড়া পাহাড়ের সৌন্দর্য্য.. একদমই তা নয়!
কালীগন্ডকী নদীর তীরে, নারায়ণ শিলার জন্য প্রসিদ্ধ কাগবেণী
মুক্তিনাথ ও কাগবেণী প্রসিদ্ধ শালিগ্রাম শিলার জন্য। যে শিলা নারায়ণ জ্ঞানে পুজো করা হয়। অনেকে বিশ্বাস করেন আবার অনেকে করেন না বলেন ফসিল বা জীবাশ্ম। মুক্তিনাথ থেকে ফেরার পথে আমরা একদিন কাগবেণীতে থাকি। মুক্তিনাথ আসার পথে মাত্র ১২ কিমি আগেই কাগবেণী খুবই সুন্দর একটি গ্রাম। এখানে আমরা থেকেছি হোটেল ড্রাগন এ । এখানে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাওয়ার তীব্রতা বাড়তে থাকে.. যেমন পরিষ্কার, রোদ ঝলমলে প্রকৃতি পেয়েছি, তেমনই হাওয়ার দাপট! এখান থেকে একদিকে থোরাং লা, আর একদিকে ধৌলাগিরি আর মাঝে নীলগিরি.. আর কাগবেনীকে ঘিরে আছে খাঁজ কাটা রুক্ষ পাহাড়.. তার নীচে সবুজ চাষের জমি,অদূরেই কাগবেণী গ্রামের ঘরবাড়ি একটু নীচে, ভাঙা চোরা ইঁটের গাঁথনি মতো প্রাচীন রাজার বাড়ি আর মনাস্ট্রি.. সামনেই কালীগন্ডকী নদীর বয়ে চলা.. একদিকে রাস্তা চলে যাচ্ছে আপার মুস্তাং.. আর একদিকের রাস্তায় লাইন দিয়ে ছাগলের পাল যাচ্ছে.. সবই দেখা যায় হোটেল থেকেই.. কাগবেণীর এই হোটেলটি ভিউ পয়েন্ট বললেও বোধহয় অত্যুক্তি হবে না! হোটেলটি মেইন রাস্তার ধারে, কাগবেণী গ্রামে যেতে হলে সিঁড়ি দিয়ে অথবা ঘুরপথে নীচে নামতে হবে। নীচেই বেশি হোটেল। নেমে এলে মনে হবে কবেকার এক প্রাচীন তিব্বতি গ্রামে ঢুকে পড়েছি! অদ্ভুত এক জগৎ যেন! মারপা বা কাগবেণী গ্রাম প্রসিদ্ধ এখানকার শুকনো আপেল, আপেল ব্রান্ডি, আপেল সিডার, শুকনো এপ্রিকট এর জন্য।
রুক্ষতার মাঝে একটুকরো সবুজের ছোঁয়া লেটে
মারপাতে আমরা থাকিনি আরও এগিয়ে যাই পোখরার দিকে। কালোপানি আর ঘাসা চেকপোস্টের মাঝে সবুজে সাজানো একটি গ্রাম লেটে.. চারপাশে রুক্ষ, শুকনো দৃশ্যের মাঝে হঠাৎ একটুকরো সবুজের ছোঁয়া যেন, খুবই ছোট এই জায়গাটা.. এখানে আমরা বৃষ্টিই পেয়েছি, তারমধ্যেই হঠাৎ জেগে উঠেছিলেন পৃথিবীর দশম উচ্চতম শৃঙ্গ অন্নপূর্ণা-১ আর তা একেবারে হোটেলের ঘর থেকেই দেখা যায়! এপথে সবসময়ের সঙ্গী নীলগিরি তো আছেই। লেটেতে একদিন থেকে ফিরে যাই পোখরা।
আমাদের তিনজনের সবমিলিয়ে ভারতীয় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বাড়ি থেকে বাড়ি। ট্রেনে আসা-যাওয়ার 3AC টিকিট + পারমিট নিয়ে। আমরা মুক্তিনাথ গিয়েছিলাম ২০২৫ সালের মে মাসের শুরুতে।
পোখরাতে Hotel Kamero ভাড়া ১৬০০/ ২০০০ নেপালী
Ph no :- 9820360752,
9822770209, 9762984615
জমসমে Hotel Sunrise ভাড়া ২০০০ নেপালী
Ph no:- +97769-440123
মুক্তিনাথে হোটেল Eureka Inn
ভাড়া ২০০০/ ২৫০০ টাকা নেপালী
Ph no:- +977 984-7640937,
+977 984-7682128
Hotel Dragon ph no :- +9779847680595
Hotel Pritika Inn এ ভাড়া ১৫০০ নেপালী টাকা
Ph no :- +977 9847711790,,
+977 9841108905
#muktinath #nepal


